কোয়ারেনটিন, আইসোলেশন ও সোশাল ডিসটেনস কি জেনে নিন

কোয়ারেনটিন: সুস্থ মানুষ যখন রোগে আক্রান্ত সন্দেহে একা আলাদা কোনো বাড়িতে বা কোয়ারেনটিন ১৪ দিন অবস্থান করে যাতে তার মধ্যে যদি কোন সংক্রামক রোগের ভাইরাস থেকে থাকে তা অন্য কারো মধ্যে সংক্রমণ ঘটায় এই ব্যবস্থাকে কোয়ারেনটিন বলে। আইসোলেশন: কোন ব্যক্তি যদি ইতোমধ্যেই করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত হওয়া নিশ্চিত হয়। তবে তাকে রোগ ভালো না হওয়া পর্যন্ত তাকে একা ভাবে একটি কক্ষে আবদ্ধ থাকতে হয় এই ব্যবস্থাকে আইসোলেশন বলে। সোশ্যাল ডিসটেন্স: সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে মানুষের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাকে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স বলা হয়। যেমন যেকোনো জনসমাগম এড়িয়ে চলা, যার যার বাড়িতে অবস্থান করা, স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি বন্ধ রাখা, ধর্মীয় উপাসনালয় বন্ধ রাখা, করমর্দন বা আলিঙ্গন এড়িয়ে চলা ইত্যাদি।