‘বাঁচতে দও’ সৃজনশীরে সহায়ক জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর:
১। ‘বাঁচতে দাও’ কবিতার রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘বাঁচতে দাও’ কবিতার রচয়িতা শামসুর রাহমান।
২। শামসুর রাহমান কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: মামসুর রাহমান ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
৩। শামসুর রাহমান কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
উত্তর: শাসুর রাহমান ‘দৈনিক বাংলা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
৪। ‘গহিন’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘গহিন’ শব্দের অর্থ গভীর।
৫। শামসুর রাহমান কত খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: শামসুর রাহমান ২০০৬ খ্রিষ্টাবেদ্ মৃত্যুবরণ করেন।
৬। কবি কাকে আঁকতে দেওয়ার কথা বলেছেন?
উত্তর: কবি শিশুকে আঁকতে দেওয়ার কথা বলেছেন।
৭। মধ্য দিনে নরম ছায়ায় কোন পাখি ডাকে?
উত্তর: মধ্য দিনে নরম ছায়ায় ঘুঘু পাখি ডাকে।
৮। নীল আকেেশ কে পাকা মেলছে?
উত্তর: নীল আকাশে চিল পাখা মেলেছে।
৯। জোনাকি পোকার আলো কখন দৃশ্যমান হয়ে ওঠে?
উত্তর: রাতের অন্ধকারে জোনাকি পোকার আলো দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।
১০। সোনালি চিল কোথায় পাখা মেলছে?
উত্তর: সোনালি চিল নীল আকাশে পাখা মেলছে।
১১। কবি ‘ফুটতে দাও’ বলে কোন ফুলের কথা উলে¬খ করেছেন?
উত্তর: কবি ‘ফুটতে দাও’ বলে গোলাপ ফুলের কথা উলে¬খ করেছেন।
১২। কোন বিলে পানকৌড়ি সুখে নাইছে?
উত্তর: কাজল বিলে পানকৌড়ি সুখে নাইছে।
১৩। সুজন মাঝি কোথায নাও বাইছে?
উত্তর: সুজন মাঝি গহিন গাঙে নাও বাইছে।
১৪। শিশু কোথায আঁকছে?
উত্তর: শিশু বালির উপর আকছে।
১৫। কোন ঘুড়ির পিছে বালক ছোটে?
উত্তর: রঙিন কাটা ঘুড়ি পিছে বালক ছোটে।
১৬। জোনাক পোকা কিসের খেলা খেলছে?
উত্তর: জোনাক পোকা আলোর খেলা খেলছে।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর:
১। কবি ফুলকে ফুটতে দিতে বলেছেন কেন?
উত্তর: ফুল প্রকৃতির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে বলেই কবি ফুলকে ফুটতে দিতে বলেছেন।
‘বাঁচতে দাও’ কবিতায় কবি ফুলের সৌন্দর্য বর্ণনা করেছেন। ফুলের কারনে বাংলার প্রকৃতি এত সুন্দর। ফুল বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্দি করে ও উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়। মূলত প্রকৃতির সেওন্দর্যকে বাঁচিয়ে রাখতেই কবি ফুলকে ফুটতে দিতে বলেছেন।

২। কবি সুজন মাঝিকে গান গাইতে দিতে বলেছেন কেন?
উত্তর: কবি সুজন মাঝিকে গান গাইতে দিতে বলেছেন কারণ মনের প্রশান্তির জন্য।
‘বাঁচতে দাও’ কবিতার কবি মাঝিদের জীবন নিয়ে বলেছেন। মাঝিরা দেহের ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করার জন্য নদীতে মনের আনন্দে গান গায়। এ গান কবির মনে আনন্দের দোলা দেয়। মাঝিরা যদি গান না গায় তবে বাংলার বুক থেকে তাদের এই অমূল্য গান হারিয়ে যাবে। প্রাণের কথা মিশ্রিত এ গানকে বাঁচিয়ে রাখতে কবি সুজন মাঝিকে গান গাইতে দিতে বলেছেন।

৩। রঙিন কাটা ঘুড়ি পিছে বালক ছোটে কেন?
উত্তর: বালক সুতা ছিড়ে উড়ে যাওযা ঘুড়ি ধরার জন্য ছুটে।
ঘুড়ি কাটা খেলা খেরতে গিয়ে বালকের নিজের ঘুড়ির সুতা ছিড়ে গেছে। দুরন্ত বালক ছিঁড়ে যাওয়া ঘুড়ি ধরার জন্য দৌড় দিয়েছে। রঙিন ঘুড়িটি ফিরে পাওয়াই তার লক্ষ্য।

৪। কবি সবকিছুকে আপন খেয়ালে চলতে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কেন?
উত্তর: ‘বাঁচতে দাও’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান প্রকৃতি ও পরিবোশের স্বাভাবিক বিকাশের জন্য তাদের আপন খেয়ালে চলতে দেওয়ার কথা বলেছেন।
ফুল, পাখি, নদী, শিশুকে বাধা দিলে সে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে না। নিজের সৌন্দর্য তুরে ধরতে পারবে না। এজন্য কবি তাদের আপন খেয়ালে চলতে দেওযার আহ্বান জানিয়েছেন।

৫। ‘ডাকতে দাও, বাইতে দাও’-বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ‘ডাকতে দাও, বাইতে দাও’-বলতে সবকিছুকে স্বাধীনভাবে চলতে দেওয়ার কথা বোঝানো হয়েছে।
প্রকৃতিকে স্বাভাবিক ও সুন্দর রাখতে হলে পাখিকে ডাকতে দিতে হবে, মাঝিকে নিজস্ব গতিতে নৌকা বাইতে দিতে হবে। ‘ডাকতে দাও, বাইতে দাও’ বলে তাদের সাধারণ কর্মকাণ্ডে বাধা না দেওয়ার দিকটিই তুলে ধরা হয়েছে।

৬। ‘মধ্য দিনের নরম ছায়ায় ডাকছে ঘুঘু’-বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ‘মধ্য দিনের নরম ছায়ায় ডাকছে ঘুঘু’-বলতে দুপুর বেলায গাছের ছায়ায় ঘুঘু পাখির ডাককে বোঝানো হয়েছে।
ছায়াঘন পরিবেশে ঘুঘু পাখি আপন মনে ডাকে। ‘বাঁচতে দাও’ কবিতায় বোঝানো হয়েছে রোদ লুকিয়ে ছায়া পড়লে ঘুঘু পাখি সুর তুরে ডাকে। যে ছায়ায় ঘুঘু ডাকে কবি তাকে নরম ছায়া বলেছেন।