22 C
Bangladesh
Sunday, December 4, 2022

Buy now

ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয় কেন?

ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয় কেন? 

যেহেতু ভাইরাসের দেহে কোষ প্রাচীর ,প্লাজমালেমা, সুগঠিত নিউক্লিয়াস ,সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি নেই তাই ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয়। এটি শুধু প্রোটিন আবরণ ও নিউক্লিক এসিড নিয়ে গঠিত। অকোষীয় জীবের ভেতর অন্যতম সদস্য হল ভাইরাস। খুবই কম সংখ্যক জীববিজ্ঞানীরা ভাইরাসকে বিবেচনা করেন জীবিত প্রাণী হিসাবে, কিন্তু বেশিরভাগ জীববিজ্ঞানীরা ভাইরাসকে জীবিত মনে করেন না। তাদের আপত্তির কারণ হল- কোন পরিচিত ভাইরাস কোষ বিভাজন করতে সক্ষম নয়, যার মানে হল এগুলো নিজেদের বংশবৃদ্ধি করতে পারে না, এদের বংশবৃদ্ধির জন্য অন্য কোষের উপর নির্ভর করতে হয়। এসব বিবেচনায় ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয়।

 

Instructions for Students For Preparing Assignments:

  1. The main objective is to achieve the learning outcomes of the students. This will help you to take the lesson in the next class. So, it is important to follow.
  2. Use the textbooks prepared by NCTB for the academic year 2020 to prepare assignments. There is no need for guide books or notes bought from the market.
  3. The student’s individuality and creativity will be verified in the assessment. So if you submit an assignment by copying someone else’s writing, it will be canceled and you will have to submit that assignment again.
  4. Assignments should be written directly in your own hand. It will be useful to understand the subject as well as the practice of handwriting.
  5. When writing an assignment, you can use any type of white paper (preferably A4 size). However, name, class, roll, subject and title of the assignment should be clearly written on the cover page.

*******Take help from the post but do not copy exactly what is written here. *******

এ বছর ১৬ মার্চ পর্যন্ত ক্লাস হওয়ার পর কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ১৮/০৩/২০২০ তারিখ থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে; ফলে ২০২০ শিক্ষাবর্ষের নির্ধারিত পাঠ্যসূচি কোথাও যথাযথভাবে, কোথাও বা পূর্ণাংগভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে এ  বছরের শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচিকে সংক্ষিপ্ত করে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে ধারাবাহিকভাবে শ্রেণি কার্যক্রম প্রচার করা হয়েছে; শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলাে নিজেদের উদ্যোগে অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করেছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা ও উপজেলা অনলাইন ক্লাস চালু হয়েছে। যেখানে এধরনের সুযােগ ছিল না সেখানে শিক্ষকবৃন্দ মােবাইলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে পাঠদান করার চেষ্টা করেছেন। এছাড়াও “কিশাের বাতায়নের” মত কিছু | প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল ক্লাসগুলােকে এমনভাবে আপলোড করা হয়েছে যাতে দেশের যে কোন শিক্ষার্থী দেশের যে কোন জায়গা থেকে যে কোন সময় এই ক্লাসগুলাে দেখতে পায়। তথাপি বাধ্য হয়ে হঠাৎ করে নতুন ধরনের শিখন-শেখানাে কার্যক্রম চালু করাছে অনেক |

শিক্ষার্থী প্রয়ােজনীয় শিখনফল অর্জন করতে পারেনি। এমতাবস্থায় শিক্ষার্থী যেন আরও কিছু শিখনফল অর্জন করে পরবর্তী শ্রেণির জন্য প্রস্তুত হতে পারে সেই বিষয়টি বিবেচনায় এনে তাদের পাঠ্যসূচি পূণর্বিন্যাস এবং এ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অর্জিত শিখন ফলের সবলতা বা দূর্বলতা চিহ্নিত করে পরবর্তী শ্রেণিতে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। | শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সরকার প্রথাগতভাবে বার্ষিক পরীক্ষা না নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে আ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে তাদের অর্জিত শিখনফল মূল্যায়ন করা হবে। পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে কোন সপ্তাহে শিক্ষার্থীর কী মূল্যায়ন করা হবে সে বিবেচনায় এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রতি সপ্তাহের শুরুতে ঐ সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত এ্যাসাইনমেন্টগুলাে দিয়ে দেওয়া হবে, এবং সপ্তাহ শেষে শিক্ষার্থীরা তাদের এ্যাসাইনমেন্ট শেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জমা দিয়ে (অভিভাবক বা অন্য কারও মাধ্যমে। অন-লাইনে) নতুন এ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণ করবে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
3,593FollowersFollow
0SubscribersSubscribe

Latest Articles

error: Content is protected !!