‘মুজিব’ সৃজনশীল, জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর:
১। ‘মুজিব’ কবিতার রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘মুজিব’ কবিতার রচয়িতা রোকনুজ্জামান খান।
২। রোকনুজ্জামান খান কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: রোকনুজ্জামন খান ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
৩। আমরা কোথায় বেঁচে থাকব?
উত্তর: আমরা বাংলায় বেচেঁ থাকব।
৪। সোনার দেশের মাঠে মাঠে কী ফলে?
উত্তর: সােনার দেশের মাঠে মাঠে ফরে রাশি রাশি সোনাধান।
৫। ষড়যন্ত্রকারীরা কত তারিখে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে?
উত্তর: ষড়যন্ত্রকারীরা ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট রাতের অন্ধকারে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে।
৬। বাঙালি জাতির জনক কে?
উত্তর: বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
৭। শিশুর অমলিন হাসিতে কার অকৃত্রিম উপস্থিতি?
উত্তর: শিশুর অমলিন হাসিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অকৃত্রিম উপস্থিতি।
৮। ‘হাট্টিমা টিম’ বইটি কার লেখা?
উত্তর: ‘হাট্টিমা টিম’ বইটি রোকনুজ্জামান খানের লেখা।
৯। ‘মুজিব আয় ঘরে ফিরে আয়’ বলে ডাকবে কে?
উত্তর: ‘মুজিব আয় ঘরে ফিরে আয়’ বলে ডাকবে স্বাধীন বাংলা।
১০। শেখ মুজিবুর রহমানের ঘর কোথায় আছে?
উত্তর: বাংরার সর্বত্রই শেখ মুজিবুর রহমানের ঘর আছে।
১১। ফসলের হাসিকে কবি রোকনুজ্জামান কার হাসির সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তর: ফসলের হাসিকে কবি রোকনুজ্জামান খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাসির সঙ্গে তুলনা করেছেন।
১২। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কে?
উত্তর: আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১৩। স্বাধীনতার ঘোষণা কোন স্থান থেকে প্রচারিত হয়?
উত্তর: স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম থেকে প্রচারিত হয়।
অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর:
১। ‘সোনার দেশে মাঠে মাটে ফলে সোনাধান রাশি রাশি’-ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: সোনার দেশে মাঠে মাঠে ফলে সোনাধান রাশি রাশি-দ্বারা বাংলার ফসলি মাঠের সৌন্দর্যকে বোঝানো হয়েছে।
‘মুজিব কবিতায় বাংলাদেশের অপরূপ সৌন্দর্য বর্ণিত হয়েছে বাংলার বুকে আছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। এই মাঠে কৃষক ফলায় সোনাধান। বেলা শেষে লাল আরোয় এ সোনাধান দেখলে মনে হয় এগুলো সোনালি হাসি হাসছে। আলোচ্য পঙ্ক্তি দ্বারা এটাই বোঝানো হয়েছে।
২। স্বাধীন বাংলা কেন শেখ মুজিবকে ডাকে?
উত্তর: শেখ মুজিব এদেশের স্থপতি। তাই স্বাধীন বাংলা তাঁকে ডাকে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক। এই দেশকে ভালোবাসতেন বলেই তিনি সংগ্রাম করেছেন ও জীবন দিয়েছেন। তাঁর এই ভালোবাসা ও দেশপ্রেমের মূল্য অপরিসীম। তাই যতদিন বাঙালি থাকবে ততদিন তারা শেখ মুজিবকে ডাকবে।
৩। শিশু হয়ে হাসে চিরশিশু মুজিবর-বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: আলোচ্য পঙ্ক্তিটি দ্বারা শিশুর সহজ-সরল অকৃত্রিম হাসির মধ্যেও যেন মুজিবের উপস্থিতির কথা বুঝিয়েছেন।
বাংলার মানুষ, প্রকৃতি, আকাশ-বাতাস সব জায়গাতেই বঙ্গবন্ধু বিরাজমান। আজও বাংলার সবস্থানে তাঁর মমতাময় হৃদয় নিয়ে তিনি উপস্থিত আছেন। তাইতো কবি বাংলার প্রতিটি শিশুর কোমল হাসিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে কল্পনা করে আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।
৪। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে চিরশিশু বলা হয়েছে কেন?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরল, অকৃত্রিম ও মমতাময় বলে তাঁকে চিরশিশু বলা হয়েছে।
শিশুরা নিষ্পাপ। এরা জগতের কুটিলতা বোঝে না। এদেরকে জগতের কালিমা স্পর্শ করতে পারে না। এদের মধুর হাসিতে ঘর ভরে ওঠে। বঙ্গবন্ধুকেও কোনোদিনই কোনো প্রকার কালিমা স্পর্শ করেনি। বাঙালির কাছে সর্বদাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুর মতো সহজ, অকৃত্রিম ও মমতাময়। তাই শেখ মুজিবুর রহমানকে চিরশিশু বলা হয়েছে।

Quiz:

MCQ Quiz