শিশুর পানিশূন্যতা হলে বুঝবেন কীভাবে?

ছোট শিশু! ভাবলেই মনে আনন্দ লাগে এবং ভয় ভয় চলে আসে কারণ কি করলে কি হবে কিভাবে যত্ন নিব এসব চিন্তা মাথায় চলে আসে। ছোট শিশুদের একটু বেশি যত্নের প্রয়োজন হয় বড়দের তুলনায়। কারণ বড়দের থেকে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাই শিশুদের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়।

যেমন তাদের খাওয়া-দাওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে ওজন ও সুস্থতার প্রতি ও নজর দেওয়া দরকার। কারণ শিশুদের কিছু কিছু এমন রোগ থাকে যা বোঝা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। এর মধ্যে শিশূর পানিশূন্যতা অন্যতম।

কিভাবে বুঝবেন শিশূ পানি শূন্যতায় ভুগছেন কিনা!! সেসব লক্ষন দেয়া হল:-

১. শিশু কান্না করলে যদি তার চোখ দিয়ে পানি না পড়ে তাহলে বুঝবেন শিশু পানি শূন্যতায় ভুগছে।

২. শিশুর শরীরে পানির ঘাটতি হলে তার ঠোঁট ও মুখের চারপাশ শুষ্ক হয়ে যাবে।

৩. শিশুর শরীরে পানিশূন্যতা হলে প্রস্রাব গাঢ় রংয়ের হবে এবং পরিমাণে খুব কম হবে।

৪. শিশুর শরীরে পানির ঘাটতি হলে বা পুষ্টির অভাব ঘটলে শিশু আগের চেয়ে ঝিমিয়ে পড়বে। তাছাড়া দিনের বেশিরভাগ সময়ই সে ঘুমিয়ে থাকবে। শিশুর মধ্যে এরকম লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. শিশুর শরীরে পানি ঘাটতি থাকলে সে খিটখিটে হয়ে পড়ে। তাছাড়া শরীরে পানির ঘাটতির কারণে শিশু সব সময় ঘ্যানঘ্যান বা অযথা কান্নাকাটি করতে পারে।

৬.পানি শূন্যতার কারণে অনেক সময় হাত ও পা অস্বাভাবিক রকম ঠাণ্ডা বা গরম হতে পারে।

পানি শূন্যতায় করনীয়:-

  • শিশুর পানিশূন্যতা রোধ করার জন্য বারবার খাবার স্যালাইন ও অন্যান্য তরল খাবার দিন । যেমন পানি ভাতের মাড় চিড়ার পানি ডাবের পানি টকদই ফলের রস ও লবণ গুড়ের শরবত খেতে দিতে পারেন।
  • শিশুর বয়স ছয় মাসের কম হলে তাকে বারবার মায়ের দুধ খেতে দিতে হবে।
  • শিশুর শরীর থেকে যে পরিমাণ পানি ও লবণ বের হয়ে যায় স্যালাইন তা পূরণ করে মাত্র। তার শরীরের দুর্বলতা কাটানোর জন্য তাকে অবশ্যই স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে।