স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব – অনুচ্ছেদ

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমুহঃ

করোনা অতিমারীর কারণে গত ১৭ মার্চ ২০২০ তারিখ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং তা খোলার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী না হওয়ার কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষেও শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া যেন ব্যহত না হয় তার জন্য গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ন্যায় এ বছরও ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিকভাবে এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।

  • এসাইনমেন্ট প্রকাশঃ ২০/০৩/২০২১
  • মোট বিষয়ঃ ২ টি। 

স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব

বই মানুষের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠবন্ধু। বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে স্বশিক্ষিত করে তোলে। বইয়ের ভেতরে যে জগতের বর্ণনা থাকে আমরা বই পড়ার মধ্যে দিয়ে সেই জগতটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। বই পড়ার মাধ্যমে আমরা জ্ঞানের রাজ্যে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যাই মুহূর্তেই। বই পড়ার মাধ্যমে আমরা বিশ্বের সকল জ্ঞানী গুণী ব্যক্তির সান্নিধ্য লাভ করতে পারি। তাদের জীবনের উপলব্ধি গুলো আমরা অতি সহজেই উপলব্ধি করতে পারি। বিশ্বের সকল জ্ঞানী গুণী ব্যক্তির অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান আমরা আমাদের করে নিতে পারি বই পড়ার মাধ্যমে। ফলে আমাদের মনন জগতের কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে । আমাদের নতুন করে জানার আগ্রহ , মনে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় । পাশাপাশি নৈতিকতা, মূল্যবোধ সৃষ্টিতে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম। বই পড়া বলতে শুধু পাঠ্য বই পড়াকে বোঝায় না। বই পড়ার মাধ্যমে আমরা পাঠ্যবইয়ের বাইরে ও অনেক কিছু জানতে পারি যা আমাদেরকে স্বশিক্ষিত করতে সাহায্য করে। কারিকুলাম বা সিলেবাস ভুক্ত পড়াশোনা আমাদের ভালো গ্রেট পেতে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু বই পড়ার অভ্যাস আমাদেরকে ভাল মানুষ হতে সাহায্য করে। আর যে ব্যক্তি অনেক বই পড়ে থাকেন তিনি খুব সহজেই অন্যের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন । এতে ব্যক্তিজীবন উন্নত হয় এবং আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায় । নতুন ভাষা শিখতেও বই পড়া আবশ্যক। তাইতো, স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম।

নমুনা – ২

মানুষ মাত্রই স্বশিক্ষিত। প্রথমে সে মাতৃগর্ভ হতে জন্মগ্রহণ করে- অতঃপর সে বই পড়ার মাধ্যমে শিক্ষা অর্জন করে মানব জীবনের পূর্ণতা  আনে। যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে মনের প্রসার দরকার আর মনের প্রসারের জন্য বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে। একটি ভালো বই মানসিক বিকাশে সহায়ক। তাই জ্ঞান-বুদ্ধিকে প্রসারিত ও বিকশিত করতে হলে বই পড়তে হবে। সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে আমাদের জাত মানুষ হবে। এই সাহিত্য লুকিয়ে আছে বইয়ের কালো অক্ষরে। তাই বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে। জাতির জীবনীশক্তিকে জাগিয়ে তোলা যায় কেবল সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে। আর এই সাহিত্যচর্চা কেবল বই পড়ার মাধ্যমেই সম্ভব। সাহিত্য চর্চা হচ্ছে শিক্ষার সর্ব প্রধান অঙ্গ, এই অঙ্গ কে সচল রাখতে হলে, সুশিক্ষা গ্রহণ করতে হলে, অবশ্যই বেশি বেশি বই পড়তে হবে এবং সাহিত্য চর্চার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অনেক ক্ষেত্রে সুশিক্ষা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি লাইব্রেরিতে থাকা বিভিন্ন বই পড়তে হবে। বিভিন্ন বইয়ের জ্ঞান  একজন মানুষকে সুশিক্ষিত করে এবং প্রকৃত একজন মানুষ হিসাবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে।  মানুষের মনকে  সচল -সরাগ ও সমৃদ্ধি করার ভার আজকের দিনে সাহিত্যের উপর ন্যস্ত। আর সাহিত্যের সুধা পান করা যায় কেবল বই থেকে।  যে সুধা মানুষকে করে সুশিক্ষিত ও মানবতা সম্পন্ন মানুষ। বই পড়ে  আমাদের সাহিত্যরস  গ্রহণ করতে হবে -সে রসে আপ্লুত হয়ে সুশিক্ষা অর্জন করতে হবে। তাই প্রতিটি মানব জীবনে সুশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম।

 

অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশিকা ২০২১

  • অ্যাসাইনমেন্টের মূল উদ্দেশ্যটি হল শিক্ষার্থীদের শেখার ফলাফল অর্জন করা। এটি  তোমাদের পরবর্তী ক্লাসে পাঠ নিতে সহায়তা করবে। সুতরাং, এটি অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
  • অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করতে ২০২১ শিক্ষাবর্ষের জন্য এনসিটিবি দ্বারা প্রস্তুত পাঠ্যপুস্তকগুলি ব্যবহার করুন। বাজার থেকে কেনা গাইড বই বা নোটের দরকার নেই।
  • শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্ব এবং সৃজনশীলতা মূল্যায়নে যাচাই করা হবে। সুতরাং আপনি যদি অন্য কারও লেখার অনুলিপি করে কোনও অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেন তবে তা বাতিল হয়ে যাবে এবং আপনাকে আবার সেই নিয়োগ জমা দিতে হবে।
  • অ্যাসাইনমেন্টগুলি সরাসরি আপনার নিজের হাতে লেখা উচিত। হাতের লেখা ভাল করার জন্য এটি দরকারী হবে।
  • কোনও অ্যাসাইনমেন্ট লেখার সময় আপনি যে কোনও ধরণের সাদা কাগজ ব্যবহার করতে পারেন (সাধারণত এ 4 আকার)। তবে নি নাম, শ্রেণি, রোল, বিষয়, এবং শিরোনাম অবশ্যই প্রচ্ছদ পৃষ্ঠায় স্পষ্টভাবে লেখা উচিত।